h

The End of my Life dairy

আজ আমি সুন্দরি মিস আমেরিকা এর Award পেয়েছি


গল্পটি পড়ুন চোখে পানি চলে আসবে**আমেরিকার এক শহরে এক নামকরা Businessman ছিলো। টাকা পয়সা, নামে, দামে,কোনো কিছুরই তার অভাব ছিলো না। কিন্তু তার মডার্ন সোসাইটিতে মুখ দেখাতে পারতোনা শুধুতার মায়ের জন্য। কারন তার মা ছিলো অন্ধ। মায়ের মুখে ছিলো আগুনে পোড়া দাগ। আর মাথায় কোনো চুল ছিলো না । তাই মডার্ন সোসাইটিতে নিজের মান সম্মান বজায় রাখার জন্য মা কে বাসা থেকে বের করে দিলো। বেচারি অন্ধ মা কেদে কেদে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। হঠাত একটি গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে বৃদ্ধা মা মারা গেল। ছেলে শুনে কষ্ট পেলো না, ভাবলো আপদ বিদায় হয়েছে। কিছুদিন পর কোনো Documents খুজতে খুজতে মায়ের ঘরে মায়ের লেখা একটা ডাইরি পেলো । ডাইরিতে লেখা ছিলো- #০৫-১২-১৯৮০=আজ আমি সুন্দরি মিস আমেরিকা এর Award পেয়েছি। #০২-০৫-১৯৮৩ আজ আমার Pregnant এর Abortion না করার জন্য আমার স্বামী আমাকে Divorce দিয়েছে। #০৭-০৩-১৯৮৫ আজ আমার বাড়িতে আগুন লেগেছিলো। আমি বাহিরে ছিলাম। আর আমার কলিজার টুকরা ছেলে বাড়ির ভিতরে ছিলো।নিজের জীবন বাজি রেখে শুধু ছেলের জীবন বাচাতে গিয়ে আগুন লেগে আমার চুল এবং মুখপুড়ে আমার সম্মস্ত সৌন্দর্য ছাই হয়ে গেছে।তাতে আমার কোন দুঃখ নেই। কিন্তু তবু আমার কলিজার টুকরা ছেলের চোখদুটো আমি বাচাতে পারিনি । #০৭-৫-১৯৮৫ আজ আমার নিজের চোখ দুটো আমার ছেলে কে দিতে যাচ্ছি । The End of my Life dairy............ডাইরিটি পড়ে ছেলে পাগলের মতো কাদতে কাদতে দেওয়ালে মাথা আছড়াতে লাগলো । আমার আর বলার কিছু নেই। সমস্ত পৃথিবীর মা জাতীর প্রতি রইলো আমার সালাম। ।

EARTHQUAKE (ভূমিকম্প)

ঘন ঘন ভূমিকম্প কিয়ামতের বড় একটি আলামত


বিশ্বনবী মহানবী (সাঃ) তার বাণীতে বলে গেছেন, যখন কিয়ামত খুবই কাছে এসে যাবে, এজন্য তিনি কিয়ামত নিকটবর্তী হওয়ার কত গুলো আলামত জানিয়ে দিয়ে গেছেন।
আলামত গুলো হলঃ

১.মানুষ ব্যাপকহারে ধর্মবিমুখ হবে।
২.বিভিন্ন রকমের পার্থিব আনন্দ এবং রং তামাশায় মেতে থাকবে।
৩.নাচ-গানে মানুষ মগ্ন থাকবে।
৪.মসজিদে বসে দুনিয়াদারীর আলাপ-আলোচনায় লিপ্ত হবে।
৫.সমাজে ও রাষ্ট্রে অযোগ্য লোক এবং মহিলা নেতৃত্ব শুরু হবে।
৬.মানুষের মধ্যে ভক্তি, শ্রদ্ধা, স্নেহ ভালবাসা কমে যাবে।
৭.ঘন ঘন ভূমিকম্প হতে থাকবে।
৮.সব দেশের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিবে।
৯.অত্যাধিক শিলা-বৃষ্টি হবে।
১০.বৃষ্টির সাথে বড় বড় পাথর বর্ষিত হবে।
১১.মানুষের রূপ পরিবর্তিত হয়ে পুরুষ স্ত্রীলোকের ন্যায় এবং স্ত্রীলোক পুরুষের রূপ ধারন করবে।

কিয়ামতের সময় যখন আরও নিকটবর্তী হবে তখন
ইমাম মাহদীর আগমন,
দাজ্জালের আর্বিভাব,
হযরত ঈসা (আঃ) এর আকাশ থেকে পৃথিবীতে অবতরণ,
ইয়াজুজ-মাজুজের উৎপাত,
পশ্চিম দিক হতে সূর্য উদয়,
কুরআনের অক্ষর বিলোপ,
তাওবার দরজা বন্ধ,
দুনিয়া হতে ইমানদারের বিলুপ্তি ইত্যাদি দেখা দেবে।

রাসূল (স:) এর মৃত্যুর কিছুক্ষণ আগের হৃদয় স্পর্শি ঘটনা


মোহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের শেষ মূহুর্ত চলছে।'হঠাৎ সেখানে একজন লোক এসে বললেন 'সালাম 'আমি কি ভিতরে আসতে পারি। ফাতিমা (রাঃ) বললেন, দুঃখিত আমার পিতা খুবই অসুস্হ।-ফাতিমা (রঃ) দরজা বন্ধ করে রাসূলের কাছে গেলেন। মুহাম্মদ (সাঃ) বললেন, কে সেই লোক? ফাতিমা বললেন, এই প্রথম আমি তাকে দেখেছি। আমি তাকে চিনি না।-শুনো ফাতিমা, সে হচ্ছে আমাদের এই ছোট্ট জীবনের অবসানকারী ফেরেশতা আজরাইল। এটা শুনে ফাতিমার অবস্হা তখন ক্রন্দনরত বোমার মতো হয়ে গিয়েছে।-রাসূল (সাঃ) বললেন,হে জিবরাঈল আমার উম্মতের কি হবে?আমার উম্মতের নাজাতের কি হবে?জিবরাঈল (আঃ) বললেন, হে রাসুল আপনি চিন্তা করবেন না, আল্লাহ ওয়াদা করেছেন আপনার উম্মতের নাজাতের জন্যে।-মৃত্যুর ফেরেশতা ধীরে ধীরে রাসূলের কাছে এলেন জান কবজ করার জন্যে। মালাইকাত মউত আজরাইল আরো কাছে এসে ধীরে ধীরে রাসূলের জান কবজ করতে থাকলেন।
পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জিব্রিলকে রাসূল বললেন ঘোঙানির সাথে, ওহ জিবরাঈল এটা কেমন বেদনা দায়ক জান কবজ করা।-ফাতিমা (রাঃ) তার চোখ বন্ধ করে ফেললেন, আলী (রাঃ) তার দিকে উপুড় হয়ে বসলেন, জিবরাঈল তার মুখটা উল্টা দিকে ফিরিয়ে নিলেন।-রাসুলল(সঃ) বললেন, হে জিবরাঈল তুমি মুখটা উল্টা দিকে ঘুরালে কেন, আমার প্রতি তুমি বিরক্ত ?জিবরাঈল বললেন, হে রাসূলুল্লাহ সাকারাতুল মউতের অবস্হায় আমি আপনাকে কিভাবে দেখে সহ্য করতে পারি।-ভয়াবহ ব্যাথায় রাসূল ছোট্ট একটা গোঙানি দিলেন। রাসূলুল্লাহ বললেন, হে আল্লাহ সাকারাতুল মউতটা (জান কবজের সময়) যতই ভয়াবহ হোক, সমস্যা নেই, আমাকে সকল ব্যথা দাও আমি বরণ করবো, কিন্তু আমার উম্মাহকে ব্যথা দিওনা। রাসূলের শরিরটা ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়ে আসতে লাগলো। তার পা, বুক কিছুই নড়ছে না এখন আর। রাসূলের চোখের পানির সাথে তার ঠোঁটটা কম্পিত ছিলো, তিনি কিছু বলবেন মনে হয়।-আলি (রাঃ) তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে নিয়ে গেলো। রাসূল বললেন, নামাজ কায়েম করো এবং তোমাদের মাঝে থাকা দূর্বলদের যত্ন নাও।-রাসূলের ঘরের বাইরে চলছে কান্নার আওয়াজ, সাহাবীরা একজন আরেকজন কে জড়িয়ে ধরে উচ্চস্বরে কান্নারত। আলী (রাঃ) আবার তার কানটা রাসূলের মুখের কাছে ধরলো, রাসূল চোখ ভেজা অবস্হায় বলতে থাকলেন,
ইয়া উম্মাতি! ইয়া উম্মাতি! ইয়া উম্মাতি!

আবু হুরায়রা (রাঃ)

মেহমানদারীর অসাধারণ একটি ঘটনা

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, একজন লোক রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট এসে বলল, আমাকে ক্ষুধা পেয়েছে। অন্য বর্ণনায় এসেছে, আমি ক্ষুধায় কাতর। তিনি তার স্ত্রীদের নিকট (খাবারের সন্ধানে) লোক পাঠালেন। তারা বলল, ঐ সত্তার কসম যিনি আপনাকে সত্য সহ পাঠিয়েছেন। আমাদের নিকট পানি ব্যতীত অন্য কোন খাদ্য নেই। তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, তোমাদের মধ্যে কে আছে, যে এর মেহমানদারী করবে? আল্লাহ তার প্রতি দয়া করবেন। তখন আনছারী ছাহাবী (আবু তালহা) বললেন, আমি করব। অতঃপর তিনি তাকে সাথে নিয়ে তার স্ত্রীর নিকট গেলেন এবং বললেন, রাসূলুল্লাহর মেহমানকে সম্মান কর। কোন খাদ্য জমা রাখবে না। সে (স্ত্রী) বলল, আল্লাহর কসম! শিশুদের জন্য রাখা খাদ্য ব্যতীত আমাদের নিকট কোন খাদ্য নেই। তিনি বললেন, তোমার খাবার প্রস্ত্তত কর, বাতি জ্বালিয়ে দাও এবং তোমার সন্তানরা যখন রাতের খাবার খেতে চাইবে তখন তাদের ঘুম পাড়িয়ে দিবে। সে খাবার প্রস্ত্তত করল, বাতি জ্বালালো এবং তার শিশুদের ঘুম পাড়িয়ে দিল। অতঃপর সে দাঁড়াল এবং বাতি ঠিক করার ভাব দেখিয়ে তা নিভিয়ে দিল। অতঃপর তারা উভয়ে (অন্ধকারে) খাবার খাচ্ছে বলে তাকে প্রদর্শন করলো। মেহমান খেল এবং তারা উভয়ে ক্ষুধার্ত অবস্থায় রাত্রি যাপন করল। অতঃপর সকালে সে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট গমন করলে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, গত রাতে মেহমানের সাথে তোমাদের উভয়ের কর্মকান্ড দেখে আল্লাহ হেসেছেন বা অবাক হয়েছেন এবং নিম্নোক্ত আয়াতটি নাযিল করেছেন,وَيُؤْثِرُونَ عَلَى أَنفُسِهِمْ وَلَوْ كَانَ بِهِمْ خَصَاصَةٌ وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفْسِهِ فَأُوْلَئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُونَ‘আর তারা তাদেরকে নিজেদের উপর প্রাধান্য দেয় নিজেরা অভাবগ্রস্থ হ’লেও। যাদেরকে অন্তরের কার্পণ্য হ’তে মুক্ত রাখা হয়েছে, তারাই সফলকাম’ (হাশর৫৯/৯)।

(বুখারীহা/৩৭৯৪; বায়হাকী, সুনানুলকুবরাহা/৭৮০২; সিলসিলাছহীহাহা/৩২৭২)।

ইসলামে যা কিছু প্রথম


*প্রথম মানব হযরত আদম (আ)
*প্রথম নবী হযরম আদম (আ)
*প্রথম মানবী হযরত হাওয়া (আ)
*ইসলামের প্রথম দম্পতি আদম- হাওয়া (আ)
*ইসলামের প্রথম শহীদ হযরত হাবীল
*প্রথম খুনী কাবীল
*প্রথম ইসলামী মুদ্রা চালু করেন হযরত উমর (রা)
*প্রথম আকাইদ মুদ্রা চালু করেন হযরত আমির মুয়াবিয়া(রা)
*প্রথম নারী ইসলাম গ্রহণকারী হযরত খাদিজা (রা)
*ইসলামের প্রথম নারী শহীদ হযরত সুমাইয়া (রা)
*ইসলামের প্রথম প্রথম সস্ত্রীক হিজরতকারী হযরত উসমান (রা) (সাহাবাদের মধ্যে)
*ইসলামের প্রথম ডাক বিভাগের প্রথা চালুকারী হযরত মুয়াবিয়া (রা)
*প্রথম মক্কায় নিজ ইসলাম গ্রহণের কথা প্রকাশকারী হযরত জাবির বিন আবদুল্লাহ (রা)
*ইসলামের প্রথম গুলিবিদ্ধ শহীদ হযরত খোবাইব ইবনে আলী (রা)
*সর্বপ্রথম মসজিদ নির্মিত হয় কুবায় (মদিনা)
*সর্বপ্রথম ইসলামের শিক্ষাকেন্দ্র দারুল আরকাম (মক্কা)
* ইসলামের প্রথম আযানের পদ্ধতি স্বপ্নে দেখেন হযরত আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ (রা)
*ইসলামের প্রথম হজে নেতৃত্ব দানকারী হযরত আবু বকর(রা)
*ইসলামের প্রথম কাবা শরীফের স্থাপক আল্লাহ তায়ালা ফিরিশতাদের মাধ্যমে, তারপর আদম (আ)
*সর্বপ্রথম ঈদের সালাত অনুষ্ঠিত হয় ৬২৩ খ্রিষ্টাব্দে
*সর্বপ্রথম মসজিদের মেহরাব প্রস'তকারী হযরত ইবনে আবদুল আজিজ (র)
* ইসলামের প্রথম জিহাদের জন্য তরবারী কোষমুক্তকারী হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম (র) [রাসূল (স)- এর ফুফাত ভাই]
*ইসলামের প্রথম মানবজাতিকে অক্ষর (জ্ঞান) দানকারী হযরত ইদ্রিস (আ)
*ইসলামের প্রথম কুরআন ও হাদিসের শব্দকোষ সংকলক আবু উবায়দা আল মুসান্না তামিম
*ইসলামের প্রথম সিরাতে রাসূল (স) সংকলক মুহাম্মদ ইবনে ইসাহাক
*ইসলামের প্রথম ফিকহ শাস্ত্রের মূলনীতি ও ফাযায়েলে কুরআন সংকলক হযরত ইমাম শাফিঈ (রা)
*ইসলামের সর্বপ্রথম ওহী লেখক হযরত খালিদ ইবনে সাইদ (রা)
 

-----------কালেক্টেড-অবুজ বালক সাইফুর