h

ইসলামে যা কিছু প্রথম


*প্রথম মানব হযরত আদম (আ)
*প্রথম নবী হযরম আদম (আ)
*প্রথম মানবী হযরত হাওয়া (আ)
*ইসলামের প্রথম দম্পতি আদম- হাওয়া (আ)
*ইসলামের প্রথম শহীদ হযরত হাবীল
*প্রথম খুনী কাবীল
*প্রথম ইসলামী মুদ্রা চালু করেন হযরত উমর (রা)
*প্রথম আকাইদ মুদ্রা চালু করেন হযরত আমির মুয়াবিয়া(রা)
*প্রথম নারী ইসলাম গ্রহণকারী হযরত খাদিজা (রা)
*ইসলামের প্রথম নারী শহীদ হযরত সুমাইয়া (রা)
*ইসলামের প্রথম প্রথম সস্ত্রীক হিজরতকারী হযরত উসমান (রা) (সাহাবাদের মধ্যে)
*ইসলামের প্রথম ডাক বিভাগের প্রথা চালুকারী হযরত মুয়াবিয়া (রা)
*প্রথম মক্কায় নিজ ইসলাম গ্রহণের কথা প্রকাশকারী হযরত জাবির বিন আবদুল্লাহ (রা)
*ইসলামের প্রথম গুলিবিদ্ধ শহীদ হযরত খোবাইব ইবনে আলী (রা)
*সর্বপ্রথম মসজিদ নির্মিত হয় কুবায় (মদিনা)
*সর্বপ্রথম ইসলামের শিক্ষাকেন্দ্র দারুল আরকাম (মক্কা)
* ইসলামের প্রথম আযানের পদ্ধতি স্বপ্নে দেখেন হযরত আব্দুল্লাহ বিন যায়েদ (রা)
*ইসলামের প্রথম হজে নেতৃত্ব দানকারী হযরত আবু বকর(রা)
*ইসলামের প্রথম কাবা শরীফের স্থাপক আল্লাহ তায়ালা ফিরিশতাদের মাধ্যমে, তারপর আদম (আ)
*সর্বপ্রথম ঈদের সালাত অনুষ্ঠিত হয় ৬২৩ খ্রিষ্টাব্দে
*সর্বপ্রথম মসজিদের মেহরাব প্রস'তকারী হযরত ইবনে আবদুল আজিজ (র)
* ইসলামের প্রথম জিহাদের জন্য তরবারী কোষমুক্তকারী হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম (র) [রাসূল (স)- এর ফুফাত ভাই]
*ইসলামের প্রথম মানবজাতিকে অক্ষর (জ্ঞান) দানকারী হযরত ইদ্রিস (আ)
*ইসলামের প্রথম কুরআন ও হাদিসের শব্দকোষ সংকলক আবু উবায়দা আল মুসান্না তামিম
*ইসলামের প্রথম সিরাতে রাসূল (স) সংকলক মুহাম্মদ ইবনে ইসাহাক
*ইসলামের প্রথম ফিকহ শাস্ত্রের মূলনীতি ও ফাযায়েলে কুরআন সংকলক হযরত ইমাম শাফিঈ (রা)
*ইসলামের সর্বপ্রথম ওহী লেখক হযরত খালিদ ইবনে সাইদ (রা)
 

-----------কালেক্টেড-অবুজ বালক সাইফুর

তিরমিযী : আমর ইবনে মাইমুন রাঃ

পাঁচটি খারাপ সময় আসার আগে পাঁচটি ভালো সময়কে কাজে লাগাও :


১. বুড়ো হবার আগে যৌবনের শক্তিকে,
২. অসুখ হবার আগে সুস্থ থাকার সময়কে,
৩. অভাব অনটন আসার আগে সচ্ছলতাকে,
৪. ব্যস্ত হয়ে পড়ার আগে অবসর সময়কে এবং
৫. মরণ আসার আগে জীবিত থাকার সময়কে। 

(তিরমিযী : আমর ইবনে মাইমুন রাঃ)

তোমাকে নেক কাজের ফল ছিড়তে বলা হয়েছে

একটি শিক্ষনীয় গল্প
এক বাদশার একটি বাগান ছিল। বাগানটি ছিল অনেক বড় এবং বিভিন্ন স্তর বিশিষ্ট। বাদশাহ একজন লোককে ডাকলেন। তার হাতে একটি ঝুড়ি দিয়ে বললেন, আমার এই বাগানে যাও এবং ঝুড়ি বোঝাই করে নানা রকম ফলমুল নিয়ে আস। তুমি যদি ঝুঁড়ি ভরে ফল আনতে পার আমি তোমাকে পুরস্কৃত করব। কিন্তু শর্ত হল, বাগানের যে অংশ তুমি পার হবে সেখানে তুমি আর যেতে পারবে না। লোকটি মনে করলো এটা তো কোন কঠিন কাজ নয়। সে এক দরজা দিয়ে বাগানে প্রবেশ করল। দেখল, গাছে গাছে ফল পেকে আছে। নানা জাতের সুন্দর সুন্দর ফল। কিন্তু এগুলো তার পছন্দ হল না। সে বাগানের সামনের অংশে গেল। এখানকার ফলগুলো তার কিছুটা পছন্দ হল। কিন্তু সে ভাবল আচ্ছা থাক সামনের অংশে গিয়ে দেখি সেখানে হয়ত আরো উন্নত ফল পাব, সেখান থেকেই ফল নিয়ে ঝুঁড়ি ভরব। সে সামনে এসে পরের অংশে এসে অনেক উন্নত মানের ফল পেল। এখানে এ সে তার মনে হল এখান থেকে কিছু ফল ছিড়ে নেই। কিন্তু পরক্ষণে ভাবতে লাগলো যে সবচেয়ে ভাল ফলই ঝুড়িতে নিবে। তাই সে সামনে এগিয়ে বাগানের সর্বশেষ অংশে প্রবেশ করল। সে এখানে এসে দেখল ফলের কোন চিহ্নই নেই। অতএব সে আফসোস করতে লাগল আর বলতে লাগল, হায় আমি যদি বাগানে ঢুকেই ফল সংগ্রহ করতাম তাহলে আমার ঝুড়ি এখন খালি থাকত না। আমি এখন বাদশাকে কি করে মুখ দেখাব। ঘটনা বর্ণনা করার পর শায়েখ গাজালি (রহ:) বলেন, বন্ধুগণ, বাদশাহ হলেন আল্লাহ, আর বাগানে প্রবেশ কারি লোকটি হল তুমি। আর ঝুড়ি দ্বারা উদ্দেশ্য হল তোমার আমলনামা। আর বাগান দ্বারা উদ্দেশ্য হল তোমার জীবন। বাগানের বিভিন্ন অংশ তোমার জীবনের বিভিন্ন ধাপ। আর তোমাকে নেক কাজের ফল ছিড়তে বলা হয়েছে, কিন্তু তুমি প্রতিদিনই ভাব, আগামী কাল থেকে ফল ছেড়া আরম্ভ করব। আগামী দিন আগামী দিন করতে করতে তোমার জীবনে আর আগামী দিন আসবে না। এভাবেই তুমি রিক্ত হস্তে মাওলার সামনে হাজির হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে যথা সময়ে নেক আমল করার তৌফিক দান করুন, আমীন

তোমরা সাতটি ধ্বংসকারী জিনিস থেকে বেঁচে থাকো

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (সাঃ) বলেছেন -তোমরা সাতটি ধ্বংসকারী জিনিসথেকে বেঁচে থাকো।

১. শিরক করা।  
২. যাদু করা।
৩. অবৈধ ভাবে মানুষ হত্যা করা।
৪. সূদ ভক্ষণ করা।
৫. এতিমের সম্পদ ভক্ষণ করা।
৬. যুদ্ধের ময়দার হতে পালিয়ে যাওয়া।
৭. নিরীহ সতীসাধ্বী ঈমানদার নারীদের প্রতি মিথ্যা অপবাদ দেওয়া।।


(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৭)